Showing posts with label Journey. Show all posts
Showing posts with label Journey. Show all posts
Monday, March 15, 2021
Monday, June 15, 2020
Bangabondhu Sheikh Mujib Safari Park (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক)- গাজীপুর জেলার সদর উপজেলার পিরুজালী ইউনিয়নের পিরুজালী মৌজা এবং শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ইউনিয়ন এর রাথুরা মৌজার খন্ড খন্ড শালবনের প্রায় 5000 একর নিয়ে বিস্তৃত। যদিও মাস্টারপ্ল্যানে 3800 একর আওতাভুক্ত করা হয়েছে।
এই প্রকল্পটি 2010 অনুমোদন পায় এবং 2011 সাল থেকে Bangabondhu Sheikh Mujib Safari Park এর নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। এটি ছোট বড় বিভিন্ন জীবজন্তর নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত।
Bangabondhu Sheikh Mujib Safari Park টি দক্ষিণ এশীয় মডেল বিশেষ করে থাইল্যান্ডের সাফারী ওয়ার্ল্ড এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও ইন্দোনেশিয়ার বালি সাফারী পার্কের কতিপয় ধারনা সন্নিবেশিত করা হয়েছে।
Bangabondhu Sheikh Mujib Safari Park এ পর্যকটদের জন্য উপভোগ্যঃ
- তথ্য ও শিক্ষা কেন্দ্রে ভিডিও ব্রিফিং/প্রামাণ্য চিত্রের মাধ্যমে সাফারী পার্ক সম্পর্কে সাম্যক ধারণা নিতে পারেন।
- ন্যাচারেল হিস্ট্রি মিউজিয়ামে বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ প্রজাতি বৈচিত্র্য সম্পর্কে ছাত্র-ছাত্রী ও গবেষকগণ পরিচিতি লাভ করতে পারেন।
- প্রটেকটেট মিনিবাসে চড়ে প্রাকৃতিক পরিবেশে বিচারণরত বাঘ, সিংহ, হাতী, সাম্বার, মায়া হরিণ, চিত্রা হরিণ, বানর, হনুমান, ভল্লুক, গয়াল, কুমির ও বিচিত্র পাখী দেখাতে পাবেন।
- লেকের ধারে দেখতে পাবেন অসংখ্য অতিথি ও জলজ পাখী।
- পর্যবেক্ষণ টাওয়ারে উঠে বনাঞ্চলের নয়নাভিরাম সৌন্দর্য ও বন্যপ্রাণী অবলোকন করতে পারবেন।
- পাখীশালায় দেখতে পাবেন দেশী-বিদেশী অসংখ্য পাখী।
- এছাড়া বেস্টনীতে বিরল প্রজাতির প্যারা হরিণ।
- রাত্রি যাপনের জন্য রাখছে বিশ্রামাগার।
Bangabondhu Sheikh Mujib Safari Park এ যেভাবে যাবেনঃ
বাস সার্ভিস : ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে গাজীপুর এর বাঘেরবাজার নামক স্থান হইতে সাফারী পার্কে রিক্সা , অটো বা সিএনজি করে যেতে হয়। প্রধান সড়ক হতে পূর্ব পার্শ্বে পার্কের অবস্থান।
সাফারী পার্ক পরিদর্শন/প্রবেশ ফিঃ
- পর্যটকগণ নির্ধারিত ফি প্রদানের মাধ্যমে সাফারী পার্ক পরিদর্শন করতে পারবেন। সরকার কর্তৃক ধার্যকৃত ফি নিম্নরূপ
- প্রাপ্ত বয়স্ক : ৫০/-
- ছাত্র/ছাত্রী :২০/-
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা সফরে আগত শিক্ষার্থী গ্র“প (৪০-১০০ জন) :৪০০/-
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠা থেকে আগত শিক্ষার্থী গ্র“প (১০০-২০০ জনের উর্ধে) : ৮০০/-
- বিদেশী পর্যটক : ৫ ইউ, এস ডলার বা সম পরিমাণে বাংলাদেশী টাকা
Thursday, May 28, 2020
Dream Holiday Park - Narsingdi
আনন্দময় অবকাশযাপনের জন্য ড্রিম হলিডে পার্ক অনন্য। এ পার্কটির অবস্থান নরসিংদীর পাঁচদোনার চৈতাবাতে । ঢাকা-সিলেট হাইওয়ের পাশেই এর অবস্থান। এই পার্কটি ৩ বিঘা জমির উপর নির্মিত, ড্রিম হলিডে পার্কটি বিনোদনপিপাসুদের জন্য ৩১ আগস্ট, ২০১১ উন্মুক্ত করা হয়েছিল।
এখানে রয়েছে বিশাল গাড়ী পার্কিংয়ের জায়গা, থাকার জন্য বাংলো এবং কুটির, ভারতীয় ও চীনা খাবারের জন্য আন্তর্জাতিক মানের রেস্তোঁরা, কফি-হাউস, আইসক্রিম পার্লার, সুস্বাদু ফাস্টফুড, সরকারী সুরক্ষা (আনসার), তাৎক্ষনিক বিদ্যুত সরবরাহ, প্রার্থনার ঘর (মসজিদ) ইত্যাদি।
অবকাশযাপনের জন্য শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্ক উভয়ের জন্য ড্রিম হলিডে পার্কটি উৎকৃষ্ট। ড্রিম হলিডে পার্ক পিকনিকের জন্য একটি দুর্দান্ত জায়গা। পিকনিক সুবিধাগুলির মধ্যে রয়েছে সাজসজ্জার পুরো প্যাকেজ, পর্যাপ্ত সংখ্যক হাইজেনিক টয়লেট/ওয়াশরুম, বিশেষ Shade, সাউন্ড সিস্টেম (প্রিপেইড), সমস্ত রাইড প্রিপেইড।
দুটি পিকনিক স্পট রয়েছে- (১) মায়াবী পিকনিক স্পটের জন্য বাংলো (২ এ / সি রুম) এবং (২) মাধুরীমা পিকনিক স্পটের জন্য বাংলো - স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং পরিবার একসাথে এবং পিকনিকের জন্য।
শিশুদের জন্য এটি বেশ জনপ্রিয় । আছে কিছু রাউড এর মধ্যে হচ্ছে নাগাট ক্যাসল, স্পিনিং ক্যাসল, রকিং হর্স, ড্রিম প্লে হাউজ, চাইল্ড ক্যাসল, চাইল্ড প্লে গ্রাউন্ড, সুইং চেয়ার লাফিং ক্রাউন্ড বাম্পার কার উল্যেখযোগ্য । কচিকাচা শিশুরা এখানে আনন্দে মেতে উঠে । ভূতের বাড়িতে রয়েছে ভৌতিক আয়োজন । বুলেট ট্রেনে রুমাঞ্ছকর সময় কাটে । এয়ার বাইসাইকেলে উরা যায় আকাশে । এ রাইড ড্রিম হলিডে প্রথম বাংলাদেশে চালু করেছে ।
জলের উপর পার্কের ক্রিয়াকলাপগুলির মধ্যে রয়েছে: জেট ফাইটিং, স্পিড বোটিং, রাজহাঁস নৌকা বাইচ, বেঙ্গল ব্রিজের নীচে নৌকা চালানো, সিডনি ব্রিজ এবং লন্ডন ব্রিজ। এ পার্কে কুমিরের একটি ভাস্কর্য ওয়াটার ফাউন্টেন সহ আরও কিছু আয়োজন ।
লেকের দৃশ্য এর পরে বসে সবুজ ঘাসের মনোরম পরিবেশ কাটিয়ে দিতে পারেন বিকেল । এছাড়া স্পিড বোটে একটি চক্কর দিতে পারেন । আরেকটি কথা মনে করিয়ে দেই খালের পারে বিরাট সাপ, কচ্ছপ, সিংহ,হরিণ (যদিও সব কিছুই কৃত্রিম।
বাচ্চাদের জন্য চৈতাবা রেলওয়ে স্টেশনে যেতে এবং এয়ারে সুইং চেয়ার, বুল রাইড এবং গর্জিলা এবং ট্রেন রয়েছে।
ভ্যাট সহ এন্ট্রি টিকিটের দাম 200 টাকা।
ড্রীম হলিডে পার্ক এ বুকিং দিতে ও বিস্তারিত জানতে কল করুন:
01762-696302,
01762-696303,
01762-696304,
01762-696305,
01762-696306.
অথবা ঘুড়ে আসতে পারেন তাদের ফেসবুক পেইজ এঃ
Thursday, March 12, 2020
পরিচিতিঃ
বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় সমুদ্র সৈকতগুলোর মধ্যে একটি হলো পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত (Potenga Sea Beach)। পতেঙ্গা (Potenga Sea Beach) চট্টগ্রাম শহরের একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত (Potenga Sea Beach) যা চট্টগ্রাম শহরের কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত। বন্দর নগরী চট্টগ্রাম থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত।
অবস্থানঃ
পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।
বেড়ানোর সময়ঃ
এখানে শীতকালে বেড়াতে আসার জন্য উৎকৃষ্ঠ সময়।দর্শনীয়ঃ
এখানে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দুটোই দেখতে পারবেন।ভ্রমনঃ
এখানে আপনি নৌকা নিয়ে নদীতে ঘুড়তে পারবেন এবং বঙ্গোপসাগরের ডেউ উপভোগ করতে পারবেন। তাছাড়াও এখানে বিনোদনের জন্য রয়েছে ওয়াটার ড্রাইভ এর ব্যবস্থা।কেনাকাটাঃ
এখান থেকে অনেক বার্মিজ পন্য, গয়না, আচার ইত্যাদি শপিং করতে পারবেন।খাওয়া দাওয়াঃ
এখানে খাওয়া-দাওয়ার জন্য অনেক রেস্টুরেন্ট গড়ে উঠেছে। যদিও সৈকতের রেস্টুরেন্টগুলির দাম কিছুটা উচ্চমানের তবুও এখানের আপনার পচন্দের খাওয়া-দাওয়াটা এখানেই সেড়ে ফেলতে পারেন।![]() |
| পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত, ছবিঃ Captured by MI MAX |
![]() |
| পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত, ছবিঃ Captured by MI MAX |
![]() |
| পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত, ছবিঃ Captured by MI MAX |
![]() |
| পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত, ছবিঃ Captured by MI MAX |
Wednesday, March 11, 2020
Tuesday, March 10, 2020
Birulia Bridge - বিরুলিয়া ব্রীজ
Location:
সাভার উপজেলার আশুলিয়া থানার অন্তর্গত একটি ছোট্ট গ্রাম হল বিরুলিয়া। মিরপুর টু সাভার (উত্তরা দিয়াবাড়ী হয়ে) যে ব্রীজ টি পার হতে হয় সেটিই বিরুলিয়া ব্রীজ।
” It’s a land of beauty in Savar. ”
নিচে আমার কিছু ছবি দেওয়া হলঃ
পরবর্তীতে ব্রীজ চালু হওয়ার পর আবার যোবায়েরের সাথে ঘুড়তে গিয়েছিলাম তখন কিছু ছবি নিছেঃ
বিরুলিয়া ব্রীজ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে গুগল ম্যাপ এর নিছের লিংকে প্রবেশ করুন।
See More on Google Maps
![]() |
| Old Rehabilitation Centre |
One Day at Old Rehabilitation Centre
বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্রে একদিন
প্রথমেই নচিকেতা চক্রবর্তীর বৃদ্ধাশ্রম গানটির কথা মনে পড়ে যায়,
Briddhasram / বৃদ্ধাশ্রম
--Nachiketa Chakraborty--
ছেলে আমার মস্ত মানুষ,মস্ত অফিসার
মস্ত ফ্ল্যাটে যায় না দেখা এপার ওপার,
ছেলে আমার মস্ত মানুষ,মস্ত অফিসার
মস্ত ফ্ল্যাটে যায় না দেখা এপার ওপার।
নানান রকম জিনিস আর আসবাব দামী দামী
সবচেয়ে কম দামী ছিলাম একমাত্র আমি।
ছেলের আমার আমার প্রতি অগাধ সম্ভ্রম
আমার ঠিকানা তাই বৃদ্ধাশ্রম!
আমার ব্যবহারের সেই আলমারি আর আয়না
ওসব নাকি বেশ পুরনো,ফ্ল্যাটে রাখা যায় না,
আমার ব্যবহারের সেই আলমারি আর আয়না
ওসব নাকি বেশ পুরনো,ফ্ল্যাটে রাখা যায় না।
ওর বাবার ছবি,ঘড়ি-ছড়ি,বিদেয় হলো তাড়াতাড়ি
ছেড়ে দিলো, কাকে খেলো, পোষা বুড়ো ময়না।
স্বামী-স্ত্রী আর আ্যালসেশিয়ান-জায়গা বড়ই কম
আমার ঠিকানা তাই বৃদ্ধাশ্রম!
নিজের হাতে ভাত খেতে পারতো নাকো খোকা
বলতাম আমি না থাকলে কি করবি বোকা?
ঠোঁট ফুলিয়ে কাঁদতো খোকা আমার কথা শুনে-
খোকা বোধ হয় আর কাঁদে না,নেই বুঝি আর মনে।
ছোট্টবেলায় স্বপ্ন দেখে উঠতো খোকা কেঁদে
দু’হাত দিয়ে বুকের কাছে রেখে দিতাম বেঁধে
দু’হাত আজো খুঁজে,ভুলে যায় যে একদম-
আমার ঠিকানা এখন বৃদ্ধাশ্রম!
খোকারও হয়েছে ছেলে,দু’বছর হলো
তার তো মাত্র বয়স পঁচিশ,ঠাকুর মুখ তোলো।
একশো বছর বাঁচতে চাই এখন আমার সাধ
পঁচিশ বছর পরে খোকার হবে ঊনষাট।
আশ্রমের এই ঘরটা ছোট,জায়গা অনেক বেশি-
খোকা-আমি,দু’জনেতে থাকবো পাশাপাশি।
সেই দিনটার স্বপ্ন দেখি ভীষণ রকম
মুখোমুখি আমি,খোকা আর বৃদ্ধাশ্রম!
মুখোমুখি আমি,খোকা আর বৃদ্ধাশ্রম!
মুখোমুখি আমি,খোকা আর বৃদ্ধাশ্রম!
বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্রটি একদিন আমার কলিগদের সাথে দেখতে গিয়েছিলাম। এখানে 60 উর্দ্ধ বৃদ্ধ/বৃদ্ধাদের জন্য পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়।
এখানে মহিলা ও পুরুষদের জন্য আলাদা ডরমেটরীর ব্যবস্থা করা আছে। এছাড়াও এখানে আলাদা ডাইনিং, বেডরুম, মেডিক্যাল সেন্টার, রুটিন মেডিক্যাল চেকআপ, ইনডোর প্লে গ্রাউন্ড ইত্যাদির সুব্যবস্থা রয়েছে।
লোকেশন:
এটি বিশিয়া-কুড়িবাড়ি, মনিপুর, হোতাপাড়া, গাজীপুরে অবস্থিত।
ঢাকা থেকে আসতে হলে, প্রথমেই ঢাকা ময়মনসিংহ হাইওয়েতে হোতাপাড়া বাস স্ট্যান্ডে নেমে মনিপুর বাজার হয়ে বিশিয়া গিভেন্সী গ্রুপের স্পিনিং মিলস্ এ যেতে হবে।
প্রতিষ্ঠাতা কর্তৃক মেসেজ হল:
”যে সমস্ত প্রবীনদের আল্লাহ ছাড়া পৃথিবীতে কেউ নেই তাদেরকে অবহেলা করবেন না। আমাকে এই অসহায় প্রবীনদের সেবা করার সুযোগ দিন।আমি আমার “বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্র” এ আমৃত্যু বিনা খরচে অন্ন, বস্ত্র, চিকিৎসা ও বিনোদন এর ব্যবস্থা করে আসছি এবং ভবিষ্যতেও তাদের জীবন সুখময় করে তুলতে সচেষ্ট থাকব। ইনশাল্লাহ। ”
যোগাযোগ:
01.
মোঃ খতিব আব্দুল জাহিদ মুকুল
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান
বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্র
ও
চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থপনা পরিচালক
গিভেন্সি গ্রুপ অব ইন্ডাষ্টিজ লিঃ
টেলিফোনঃ ৮৯১৩৮০২, ৮৯৩২৮০১-২
মোবাইলঃ ০১৭৩০ ০২০ ২৮৭
02.
মোঃ রবিউল ইসলাম
সহকারী ব্যবস্থাপক
বাসা # ০৬, রোড # ১৩, সেক্টর # ৩, উত্তরা, ঢাকা, বাংলাদেশ।
টেলিফোনঃ ৮৯১৩৮০২, ৮৯৩২৮০১-২
মোবাইলঃ ০১৭১৪ ০৯৬ ২৭২
03.
মোঃ আবু শরিফ
ব্যবস্থাপক
বিশিয়া-কুড়িবাড়ি, মনিপুর, হোতাপাড়া, গাজীপুর, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ ০১৭১৪০৯৬৩২৫
04.
মিসেস মাহমুদা খাতুন (শিউলি)
সহকারী ব্যবস্থাপক
বিশিয়া-কুড়িবাড়ি, মনিপুর, হোতাপাড়া, গাজীপুর, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ ০১৭৩০ ৯৯৬৭১১
05.
মিসেস হাবিবা খন্দকার (বেলী)
সহকারী ব্যবস্থাপক
বিশিয়া-কুড়িবাড়ি, মনিপুর, হোতাপাড়া, গাজীপুর, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ ০১৭১৪০৯৬৩১১
বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্রে ঘুড়তে গিয়ে কিছু ছবি উঠানো হয়েছিল যা নিছে দেওয়া হল।




























































